1. admin@ekattortribune.com : admin :
  2. ekattortribune2020@gmail.com : Ekattor Tribune : Ekattor Tribune
আশুলিয়ায় মৌসুমী ফল আমসহ কার্বাইড দিয়ে পাকানো ফলে বাজার সয়লাভ - জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে - একাত্তর ট্রিবিউন
শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ১১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :

আশুলিয়ায় মৌসুমী ফল আমসহ কার্বাইড দিয়ে পাকানো ফলে বাজার সয়লাভ – জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু, বিশেষ প্রতিবেদক
  • সোমবার, ২৪ মে, ২০২১
  • ৫৯ বার

সাভারের আশুলিয়ার বাইপাইল ফলের আড়ৎ সহ সকল হাট বাজার অলিগলি বাসাবাড়ির সামনে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমী ফল আমসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফল।

সোমবার (২৪)মে আশুলিয়ার বাইপাইল ফলের আড়ৎসহ হাট-বাজার, বাসাবাড়ীর অলিগলিতে, সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলে এসব তথ্য ও ছবি।

ফল আমাদের শরীরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুস্বাদু খাবার খাদ্য ও পুষ্টির একটি অন্যতম উৎস। দেশের একশ্রেণীর মধ্যসত্ত্বভোগী, মুনাফালোভী ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে ফল পাকিয়ে ফলের খাদ্যমান বিনষ্ট করে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে । বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে, এবং তাপদাহে একটু স্বস্তির জন্য হলেও অনেকে ফলের শরবত করে খেয়ে জিরিয়ে নিতে হন্যে হয়ে খুজছে গাছ পাকা ফল তাদের দৃস্টি ফেরাতেই অপরিপক্ক ফলকে কার্বাইড দিয়ে ফলের চেহারা পাল্টিয়ে দিয়ে ক্রেতাদেরকে আকৃষ্ট করে বিক্রি হচ্ছে এসব ফল, তাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বাস করছেন পোশাক শ্রমিক অধুশিত এলাকার নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃস্টি দিতে বলেছেন এলাকার সচেতন মহল। বাইপাইল ফলের আড়ৎসহ বিভিন্ন যায়গায় ছরিয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট-বড় অসাধু ব্যাবসায়ীরা তাদের গোপন ঘরেই দেখাযায় তাদেরকে ফলহরহামেশা ক্যালসিয়াম কার্বাইডসহ বিভিন্ন প্রকারের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে আম, কলা, কাঁঠাল, আনারসসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় ফল পাকানো হচ্ছে। এতে ক্রেতাসাধারণ ও ভোক্তা প্রতারিত হয়ে আর্থিক এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।

কার্বাইড
ক্যালসিয়াম কার্বাইড এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ। এটি এক ধরণের যৌগ যা বাতাসে বা জলীয় সংস্পর্শে এলেই উৎপন্ন করে এসিটিলিন গ্যাস। যা ফলে প্রয়োগ করলে এসিটিলিন ইথানল নামক বিষাক্ত পদার্থে রূপান্তরিত হয়।

কিভাবে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়
কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল খেলে মানুষ দীর্ঘমেয়াদি নানা রকম রোগে বিশেষ করে বদহজম, পেটেরপীড়া, পাতলা পায়খানা, জন্ডিস, গ্যাস্ট্রিক, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, লিভার ও কিডনি নষ্ট হওয়াসহ ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মহিলারা এর প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম দিতে পারে। শিশুরা বিষাক্ত পদার্থের বিষক্রিয়ার ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফলের স্বাদ বুঝার উপায়
কার্বাইড বিক্রিয়ায় ফলকে কাঁচা থেকে পাকা অবস্থায় নিয়ে আসে। ফলটি কাঁচা, কিংবা আধাপাকা অবস্থায় থাকুক না কেন কিছু কিছু ফলের বাইরে এবং ভেতরে কেমিক্যালের প্রভাব এতটাই ঘটে যে, ভেতরে বাইরে ফলটির রঙে ও স্বাদে স্বাভাবিকভাবে পাকা ফলের মতো হয়ে যায়। কোনো কোনো ফলের বেলায় কেবল তার বাহ্যিক বর্ণ আকর্ষণীয় হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো দৃষ্টি নন্দন টকটকে লাল, হলুদ, গোলাপি বর্ণ দেখে মানুষ আগ্রহ করে এসব কৃত্রিমভাবে পাকানো ফল পছন্দ করে কিনে নিয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তিনি হয়তো জানেন না যে, তিনি টাকা দিয়ে বিষ কিনলেন। এতে একদিকে যেমন ফলের পুষ্টি গুণাগুণ নষ্ট হয় অপরদিকে ফল খেতে বিস্বাদ, পানসা, শক্ত ও তেতো স্বাদযুক্ত মনে হয়।

কৃত্রিমভাবে পাকানো ফল চেনার উপায়
টমেটো, আম, পেঁপে ইত্যাদি ফলকে কৃত্রিমভাবে পাকানো হলে ফলত্বক সুষম রঙ (uniform) ধারণ করে। কলার ক্ষেত্রে ফলত্বক হলুদ বর্ণের থাকলেও কান্ডের অংশ গাঢ় সবুজ রঙের থাকে।

আশুলিয়ার এলাকার নাম না প্রকাশের শর্তে একজন বলেন, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ভোক্তা আইন আরও কঠিনভাবে প্রয়োগের নিমিত্তে বিভিন্ন সংবাদপত্র, রেডিও, টিভিতে ব্যাপক প্রচার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফল, শাকসবজি ও খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ রোধের ব্যবস্থা নিতে হবে। সার্বিকভাবে ভোক্তা, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতার মাধ্যমেই আমরা ভেজালমুক্ত ফলমূল খেতে পারবো এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে।

আশুলিয়া থানার বসবাসকারী মানুষের ফলের চাহিদার পাশাপাশি এলাকায়ও বাইপাইল আড়ৎ এর ফল পাইকারী মূল্যে নিয়ে যাচ্ছে আশেপাশের উপজেলায়ও। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, এসব ফল আশুলিয়ার হাঠে বাজারের বিক্রেতাসহ বাসাবাড়িতে গিয়ে বিক্রি করা হকাররাও এসব ফল সংশ্লিষ্টদের ফাঁকি দিয়ে হরহামেশাই বিক্রি হচ্ছে, দেখার যেনো কেউ নেই।

আশুলিয়ার বুড়ি বাজার, বগাবাড়ী, ইউনিক,জামগড়া,ছয়তলা,নরসিংহপুর,আশুলিয়া বাজার, পলাশবাড়ী, পল্লী বিদ্যুৎ, নবীনগর, রপ্তানি ইপিজেড, ভাদাইল বাজার, পব্নার টেক ক্লাব,বলিভদ্র বাজার,শ্রীপুর বাজার, মোজারমিল, নবীটেক্সটাইল,জিরানী বাজার, গোহাইবাড়ী বাজারসহ বাসাবাড়ির অলিগলিতে পাওয়া যাচ্ছে এসব ফল।

বলিভদ্র বরটেক এলাকার সালাম বলেন, আমি আমার বয়স্ক মায়ের জন্য গাছপাকা আম মনে করে নিয়ে গেলাম, কিন্তু বিশেষ প্রক্রিয়ায় পাকানোর জন্য খেতে পারলোনা। আমাকে ভিষন খারাপ লেগেছে, কেনার সময় ফলের চেহারা দেখে বুঝা যায়না।

বুরিবাজারের পোষাক শ্রমিক জমিলা বেগম বলেন আমি আমার পরিবারের জন্য পাকা সুন্দর তিনকেজি আম কিনেছিলাম পরশুদিন খেতে পারিনি।

জামগরার বাবু বলেন আমি পাঁচ কেজি আম কিনেছিলাম সুন্দর পাকা দেকে বাসায় নিয়ে খাওয়ার সময় বুঝতে পারি এগুলো খতিকারক বিশেষ কোনো ধরনের উপাদান দিয়ে পাকানো দুদিন পরে চুপসে গেচে বাকী আমগুলো।

এরকম অসংখ্য ভুক্তভোগী একদিকে মৌসুমী ফলের আসল স্বাদ ও পুস্টি থেকে প্রতারিত হচ্ছে অন্যদিকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরছে।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সহ সচেতন মহল।

মৌসুমি ফলের আড়ৎ ও ফল ব্যাবসায়ীদের গোপন ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দাবি জানান অনেক ভোক্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর পড়ুন

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৭৫,০১৬,৫০১
সুস্থ
১১৩,১৯৫,৯৪৩
মৃত্যু
৩,৭৮২,৪৯১

নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬
  • ১২:০১
  • ১৬:৩৭
  • ১৮:৪৯
  • ২০:১৫
  • ৫:১০

Website Live Visitor

0 3 8 7 4 9

বিজ্ঞাপন

Add-01
Add-512 By 512
©All rights reserved © Ekattortribune.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
English