মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ার শিমুলিয়া উনিয়ন পরিষদের একযোগে মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন কেরানীগঞ্জ হবে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা, সাভার ও আশুলিয়া মিলে গঠিত হতে পারে নতুন সিটি কর্পোরেশন ইসলামী ব্যাংকে অবৈধ নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছতা ফেরানোর দাবিতে জিরানীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী চাকরি প্রার্থী ও ইসলামী ব্যাংকিং গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন শিশু ঝরে পড়ার হার রোধে এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতঃ নিয়মিত হোমভিজিট,উঠান বৈঠক এবং অভিভাবক সমাবেশের কোনো বিকল্প নেই সুদমুক্ত সমাজ গড়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে – মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে লালমনির নূর-ই আলম সিদ্দিকী গুণী শিক্ষক নির্বাচিত আশুলিয়ায় আশ্রায়ণ প্রকল্পে দুরবস্থা: কালভার্ট বন্ধ করে মাছ চাষ, ভুমিহীন পরিবারের বিক্ষোভ আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগ নেতা মামুন কর্তৃক যুবদল কর্মীকে হত্যার হুমকি

আক্কেলপুরে দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে জমে উঠেছে ৫১৬ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার মেলা

মাহফুজুল হক,জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুরে প্রতি বছরের ন্যয় এবারও

উৎসব মুখর পরিবেশে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার মেলা।

সারা দেশের ঘোড়া বেচা-কেনার একমাত্র মেলা হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘোড়া ক্রেতা বিক্রেতারা আসেন এখানে। মাসব্যাপী মেলা চললেও পশু ক্রয় বিক্রয় হয় ১০ দিন। এবারের মেলার মূল আকর্ষণ বাহাদুর নামে তাজি জাতের একটি ভারতীয় ঘোড়া। এর দাম হাঁকা হয়েছে ৯ লাখ টাকা।

৫১৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী পুরনো এ মেলা শুরু থেকেই ঘোড়ার জন্য প্রসিদ্ধ। এ বছরের মেলায় পঙ্খিরাজ, বাহাদুর, বিজলি, কিরণমালা, বাংলার রানী, সুইটি, ভারতীয় তাজিসহ নানা নাম ও বর্ণের বাহারি ঘোড়া নিয়ে এসেছে ব্যবসায়ীরা। ঘোড়ার দৌঁড় প্রতিযোগীতা দেখার জন্য ভীড় জমে উঠে দর্শনার্থীদের। ঘোড়া ছাড়াও মহিষ, গরু, ভেড়া ও ছাগল বেচাকেনা হয় এই মেলায়। এরই মধ্যে কেনা-বেচাও জমে উঠেছে।

এক সময় নেপাল, ভুটান, ভারত, পাকিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে উন্নত জাতের ঘোড়া আসত। বর্তমানেও সেসব দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঘোড়সওয়ার ও ঘোড়ার মালিকরা ঘুরতে আসেন।

মেলা কমিটির সভাপতি ও ০৩ নং গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান জানান এটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম মেলা হওয়ায় কোন অপ্রিতীকর ঘটনা যেন না ঘটে তারজন্য সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতো পুরনো এবং ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ মেলা উত্তরবঙ্গের কোথাও নেই। তাই মেলার আনন্দ উভোগ করতে আশেপাশের প্রতিটি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে আসেন মেয়ে-জামাইসহ আত্মীয় স্বজনরা। মেলার পুরো মাসজুরে এখানকার প্রতিটি বাড়িতে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102